1. live@www.paharerkatha.online : www.fnnews24.com www.fnnews24.com : www.fnnews24.com www.fnnews24.com
  2. info@www.paharerkatha.online : পাহাড়ের কথা :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় দুর্যোগে প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে জাগ্রত যুব সংঘ লামায় ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ৮ বন্ধু  লামায় পাহাড় ধসে নিহত ৫ : ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন আশিকা’র উদ্যোগে দুর্যোগের আগাম প্রস্তুতিতে ঝুঁকিপূর্ণ ৫০ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ নিহত ৫, ইউপি সদস্যা আহত লামায় আশিকা’র উদ্যোগে দুর্যোগে আগাম সতর্কবার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতি বান্দরবানে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দী হাজারো মানুষ লামায় পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিরাপদে সরে যেতে ইউএনও’র তাগাদা লামায় ধসে পড়ার আশঙ্কায় চাম্বি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবন লামায় একরাতে ৩ বসতঘরে ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট, ভাতও খেয়ে গেল ডাকাতরা

বান্দরবানের ৪ উপজেলায় সুপেয় পানির সংকট, কোটি টাকার প্রকল্প এখন গলার কাঁটা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
পাহাড়ের কথা ডেস্ক । 
বান্দরবান পৌরসভাসহ চার উপজেলায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কোটি টাকার প্রকল্প এখন সাধারণ মানুষের গলার কাঁটা। উদ্বোধনের পর দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও থানচি ও নাইক্ষ্যংছড়ি দুই উপজেলার পানি শোধনাগার থেকে এক ফোঁটা পানিও পায়নি সাধারণ মানুষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ‘বান্দরবান পৌরসভা এবং বান্দরবানের তিনটি উপজেলা সদরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ২০২২ সালে সরকারের ব্যয় ধরা হয় ৪৪ কোটি ২৫ লাখ ১০০ টাকা।

এই প্রকল্পের আওতায় বান্দরবান পৌরসভার লাঙ্গিপাড়া, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের মসজিদ ঘোনা, আলীকদম উপজেলা সদরের থানাপাড়া পাহাড় এবং থানচি টিএন্ডটিপাড়ায় পানি শোধনাগার নির্মিত হয়। তারও আগে লামা উপজেলার টিটিএনডিসি এলাকায় নির্মিত পানি শোধনাগারটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে রয়েছে। শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) অর্থায়নে কাজ শুরু হলেও মাঝপথে অর্থ সংকটে পড়ে কাজের গতি কমতে থাকে।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে প্রকল্পের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য ২ কোটি ৭১ লাখ বা তার কাছাকাছি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের যোগসাজশে দফায় দফায় ভূমি অধিগ্রহণ, নকশা পরিবর্তন ও রিভাইস দেখিয়ে বরাদ্দ বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রকল্পটির পেছনে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে।

সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারগুলো এখন পরিত্যক্ত রয়েছে। গেটে ঝুলছে তালা। কোনো কোনোটির যন্ত্রপাতি ও পাইপলাইনে ইতোমধ্যে জং ধরতে শুরু করেছে।

নাইক্ষ্যংছড়ির স্থানীয় বাসিন্দা আইয়ুব, শহীদ, শাহাব উদ্দিন, থানচি টিঅ্যান্ডটিপাড়ার বাসিন্দা মামুনুর রশিদ, ইদ্রিসসহ স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানুষকে পানির স্বপ্ন দেখিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। পাঁচ বছর পার হয়ে গেলেও নানা অজুহাতে এখনো পানির সংযোগ দেওয়া হয়নি।

সিন্ডিকেটগুলো শুরুতে প্রকল্পের বাজেট কম দেখিয়ে, দরপত্র আহ্বান করে। অন্য প্রতিযোগীরা বাদ পড়ে গেলে এবং সিন্ডিকেট কাজটি বাগিয়ে নেওয়ার পর শুরু হয় আসল খেলা। পরে কাজ যত দীর্ঘায়িত হয়, রিভাইস করার সুযোগ তত বাড়ে।

অনুসন্ধানে জেলার অধিকাংশ বড় বড় উন্নয়ন কাজের পেছনে নির্দিষ্ট কয়েকটি লাইসেন্সের নাম বারবার ঘুরে-ফিরে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে, রতন সেন, মি. ইউটি মং, মার্মা এন্টারপ্রাইজ, শিবলী এন্টারপ্রাইজ, কামাল হোসেন ইত্যাদি। জেলায় জনস্বাস্থ্যের সিংহভাগ কাজই এসব লাইসেন্স ও হাতেগোনা কয়েকজন চক্রের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

জানা গেছে, সম্প্রতি বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রায় ১০ কোটি টাকার তিনটি গ্রুপে উন্নয়ন কাজের টেন্ডারেও অনিয়ম ও তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে।

অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে টিউবওয়েলসহ পানি রিজার্ভার নির্মাণ, ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় সাতটি উপজেলায় সাতটি জিএফএস (গ্রাভিটি ফ্লো সিস্টেম) প্রকল্প এবং ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার টিউবওয়েল স্থাপন কাজ।

এদিকে প্রকল্পগুলোর নানাবিধ অসংগতি ও সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির বিষয়ে তথ্য জানতে নাইক্ষ্যংছড়ি ও থানচি উপজেলার সহকারী প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তারা তথ্য না দিয়ে নানাভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এই প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে থানচির কর্মকর্তা স্বপন চাকমা জানান, মাঠে শুধু কাজ তদারকি করা ছাড়া অন্য কোনো তথ্য বা নথিপত্র জানার সুযোগ আমাদের নেই।

অন্যদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী শাহ আজীজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ সমস্যা ছিল প্রথমে, পরে প্রকল্পের কিছু মালামাল চুরি হয়। যার কারণে কাজটি উদ্বোধন করা যায়নি। ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে তার এলাকার প্রকল্পটিতে।

এ বিষয়ে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, ভূমি অধিগ্রহণসহ নানা সমস্যার কারণে প্রকল্পগুলো উদ্বোধন করা যায়নি। সূত্র-দৈনিক আমার দেশ। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট