1. live@www.paharerkatha.online : www.fnnews24.com www.fnnews24.com : www.fnnews24.com www.fnnews24.com
  2. info@www.paharerkatha.online : পাহাড়ের কথা :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় মাতামুহুরীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীনের পথে শতবর্ষী মেরাখোলা কবরস্থান, জিও ব্যাগেও ঠেকছে না ভাঙন, ভাঙ্গন রোধে ব্লক স্থাপনের দাবী এলাকাবাসীর আলীকদমে ডিজিটাল যুগেও বিচ্ছিন্ন কুরুকপাতা জেলা পরিষদে সদস্য না রাখায় ক্ষোভ, লামায় সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লামায় প্রশাসনের অভিযান : এক ব্যবাসয়ীকে জরিমানা, বিপুল বালু জব্দ লামায় ভীমরুলের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু আজ শনিবার লামা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী মিয়ার ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী লামায় বসুন্ধরা শুভ সংঘ’র প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পেল ২০ অস্বচ্ছল নারী লামায় নানা আয়োজনে পালিত হলো জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী বান্দরবান জেলা পরিষদ’র নতুন চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে অংশীজন কর্মশালা

বান্দরবানে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দী হাজারো মানুষ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

অব্যাহত ভারি বর্ষণের ফলে পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে জেলা শহরসহ আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হাজারো মানুষ। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। উজান থেকে নেমে আসা নদীর পানির ঢল বাড়ছে। এতে নাইক্ষ্যংছড়ি, রোয়াংছড়ি, লামা, আলীকদম উপজেলায় সহস্রাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

জেলা শহরে আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা, ওয়াবদা ব্রিজ, মেম্বার পাড়া, বালাঘাটা আমবাগানসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যাকবলিতরা আশ্রয়কেন্দ্রে উঠতে শুরু করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হলেও সেটি কমে ২১০ মিলিমিটারে নেমে এসেছে। তবে কখনো ভারি, কখনো মাঝারি আকারে বৃষ্টি হচ্ছে। আর সাঙ্গু নদীর পানি ১৬.৮০ মিটারে বিপদসীমা অতিক্রম করছে।

এদিকে অবিরাম বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে অসংখ্য ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার রুমা-থানচি, লামা-সূয়ালক সড়কসহ অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে ছোট-বড় পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেছে। প্রাণহানির আশঙ্কায় পাহাড়ের ঢালুতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে প্রশাসন, পৌরসভা ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার ৩৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাইক্লোন সেন্টারে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

গতকাল রাতে পৌর শহরের কালাঘাটা বড়ুয়া টেক এলাকায় পাহাড়ধসে ছয়টি বাড়ির ওপর মাটি পড়ে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত বা আহত হয়নি। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে নতুন করে পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করেছে ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসন।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল আনসারী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের আগেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে সবাইকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হচ্ছে।

বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব বলেন, অব্যাহত বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী এই তিনটি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল বলেন, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মঙ্গলবারের তুলনায় বেড়েছে। বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান জেলায় ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বিকেল ৬টা পর্যন্ত ২১০ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতে পাহাড়ধসে প্রাণহানির শঙ্কা থাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস বলেন, অবিরাম বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদীতীরবর্তী এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। খোলা হয়েছে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং প্রশাসনের জরুরি কন্ট্রোল রুম প্রস্তুত রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট