1. live@www.paharerkatha.online : www.fnnews24.com www.fnnews24.com : www.fnnews24.com www.fnnews24.com
  2. info@www.paharerkatha.online : পাহাড়ের কথা :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় দুর্যোগে প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে জাগ্রত যুব সংঘ লামায় ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ৮ বন্ধু  লামায় পাহাড় ধসে নিহত ৫ : ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন আশিকা’র উদ্যোগে দুর্যোগের আগাম প্রস্তুতিতে ঝুঁকিপূর্ণ ৫০ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা লামায় পাহাড় ধসে শিশুসহ নিহত ৫, ইউপি সদস্যা আহত লামায় আশিকা’র উদ্যোগে দুর্যোগে আগাম সতর্কবার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতি বান্দরবানে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দী হাজারো মানুষ লামায় পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিরাপদে সরে যেতে ইউএনও’র তাগাদা লামায় ধসে পড়ার আশঙ্কায় চাম্বি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবন লামায় একরাতে ৩ বসতঘরে ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট, ভাতও খেয়ে গেল ডাকাতরা

লামায় চাচাতো ভাইকে ফাঁসাতে নিজের পরিত্যক্ত গোয়াল ঘরে নিজেই আগুন দিলেন জেঠাত ভাই !

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে
???????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি | 
বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের লাচ্ছাইপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে চাচাতো ভাই মিজানুর রহমানকে ফাঁসাতে নিজের বসতঘর সংলগ্ন পরিত্যক্ত গোয়াল ঘরে নিজেই আগুন লাগিয়ে দিলেন জেঠাত ভাই মনোর আলম প্রকাশ বাদশা। শুধু তায় নয়, এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনকে বিভ্রান্তির চেষ্টাও করেন তিনি। শনিবার (৬ জুন) দিনগত রাত আটটার দিকে ভুক্তভোগী চাচাতো ভাই মো. মিজানুর রহমান লামা সাংবাদিক ফোরামে আয়োজিত পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর প্রতিবেশীরাও উপস্থিত ছিলেন। ভুক্তভোগী মো. মিজানুর রহমান রুপসীপাড়া ইউনিয়নের লাচ্ছাই পাড়ার বাসিন্দা মৃত নজির আহমদের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে মো. মিজানুর রহমান উল্লেখ করেন, মো. মিজানুর রহমানের বাবা মৃত নজির আহমদ, জেঠা শব্বির আহমদ ও জেঠাতো ভাই মনোর আলম বাদশার নামে ২৯৪নং দরদরী মৌজার ১২নং খতিয়ানের আন্দর এজমালীভাবে উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের লাচ্ছাইপাড়ায় ৩ একর ১ম ও ৩য় শ্রেণীর জমি তৌজিভূক্ত আছে। বন্দোবস্তির পর ২০২২ সাল পর্যন্ত মনোর আলম বাদশা ওই জমিতে যায়নি। হঠাৎ মনোর আলম বাদশা ২০২৩ সালে মিজানুর রহমানদের ভোগ দখলীয় জমির ওপর লোভের বশবর্তী হয়ে গাছ কেটে জায়গা জবর দখল করে ঘর নির্মানের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে জেঠা মৌঃ শব্বির আহমদনের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে জমি পরিচিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ইউনিয়ন পরিষদের শুনানীর পর ইউপি সদস্য সীতারঞ্জন বড়–ুয়া’কে জমি পরিচিহ্নিত করার দায়িত্ব দেন। এক পর্যায়ে ২৫ সেপ্টেম্বর সার্ভেয়ার তিন পক্ষের মালিক ও তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সম্মুখে সরসে-নিরশে জমি সমহারে বন্টন করে বুঝিয়ে দেন। গত দুই বছর ধরে সকলে নিজ নিজ অংশে বিবাদহীন ভাবে ভোগ দখলে স্থীত ছিলেন।
ভুক্তভোগী মো. মিজানুর রহমান আরও জানান, ২০২৫ সালে মিজানুর রহমানের অংশের জমি তামাক মৌসুমে মৌখিক অনুরোধে জেঠাতো ভাই মনোর আলম বাদশার কাছে লাগিয়ত করেন। লাগিয়তের টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধ না করে কিছুদিন পরে পরিশোধ করবে বলে আশ্বাস দিলেও অদ্যাবধি লাগিয়তের টাকা পরিশোধ করেনি মনোর আলম প্রকাশ বাদশা। পরবর্তীতে পাহাড়ি অংশে রোপনকৃত সেগুন গাছ মনোর আলম বাদশা ও তার স্ত্রী- ছালেহা বেগম কেটে সবজি চাষ করেন। পরে নিরুপায় হয়ে রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবরে আবেদন করেন মিজানুর রহমান। মনোর আলম বাদশা ও তার স্ত্রী- ছালেহা বেগমকে পরপর ৫ বার নোটিশ প্রেরণ প্রদান করলেও উপস্থিত না হওয়ায় মিজানুর রহমানকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে অর্ডারশীট লিখে দেন। ইউনিয়ন পরিষদের পরামর্শে মিজানুর রহমান লামা উপজেলার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে (সি.আর. মামলা নং-৫৬/২৬) একটি মামলাও দায়ের করেন। বিগত বছরের লাগিয়তের টাকা মিজানুর রহমানকে পরিশোধ না করায় মৌখিকভাবে চলতি বছর জমিতে চাষ করতে নিষেধ করা হয়। একপর্যায়ে বনিবনা না হওয়ায় মিজানুর রহমান চলতি মৌসুমে জমি নতুন চাষার নিকট লাগিয়ত করে দেন। নুতন চাষা জমিতে চাষ করতে গেলে মনোর আলম বাদশা, তার স্ত্রী- ছালেহা বেগম ও তাদের ভাড়াকৃত কয়েকজন সন্ত্রাসী চাষাকে চাষ করতে বাঁধা প্রদান করেন। পরে মিজানুর রহমান সরেজমিনে গিয়ে ফের ঘেরাবেড়া দিয়ে জমি নতুন চাষাকে বুঝিয়ে দেন। এ কারণে গত ৪ জুন মনোর আলম প্রকাশ বাদশা ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের একটি পরিত্যক্ত গোয়াল ঘরে নিজেই আগুন লাগিয়ে ৬ জুন মিজানুর রহমানদের বিরুদ্ধে ঘর পোড়ার অভিযোগ তুলে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনের প্রেক্ষিতে মো. মিজানুর রহমানরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, মনোর আলম প্রকাশ বাদশার বসতঘর অক্ষত রয়েছে এবং তাদের বসতঘরের লাগোয়া আলাদা একটি পরিত্যক্ত গোয়াল ঘর পুড়ে গেছে। উপরন্তু বসতঘর ও গোয়ালঘর এতই কাছাকাছি ছিল যে, একটিতে আগুন লাগলে অন্যটি পুড়ে যেত। অথচ তার বসতঘরটি পুড়েনি। এতে প্রতিয়মান হয়, পরিকল্পিতভাবে আমাদের ফাঁসানোর জন্য মনোর আলম বাদশা নিজেই নিজেদের গোয়াল ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন। তাই মিথ্যা অভিযোগ তুলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি এ ঘটনায় কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানান মিজানুর রহমানরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট